৭৪ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে যে কোনো ধরনের নাশকতা রুখতে তৎপর ভারতীয় রেল।বুধবার জিআরপি ও আরপিএফ- এর যৌথ উদ্যোগে বর্ধমান স্টেশনে চলে নাকা চেকিং।হাওড়া জিআরপি-র ডিএসআরপি আসানসোল উজ্জ্বল কুমার দাসের নেতৃত্বে মেটাল ডিটেক্টর ও স্নিফার ডগ দিয়ে বর্ধমান স্টেশন সহ বিভিন্ন ট্রেনে চলে তল্লাশি।
২০১৪ সালের ২ রা অক্টোবর খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কান্ড ঘটে যাওয়ার পর দেশের প্রথম সারির তদন্তকারী সংস্থাগুলির মাধ্যমে উঠে আসে ভারতে সক্রিয় বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনগুলি কিভাবে করিডর হিসাবে বর্ধমান স্টেশন কে ব্যবহার করেছিলো সেই তথ্য।পরবর্তীতে বর্ধমান স্টেশন থেকে ধরা হয় জিএমবি ভারত মডিউলের অন্যতম সক্রিয় সদস্য মুসাকে।এরপর থেকেই বর্ধমান স্টেশনকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলতে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয় রেলের পক্ষ থেকে।
প্রতিদিন রুটিন চেকিং-এর পাশাপাশি বিশেষ দিনগুলিতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয় জিআরপি ও আরপিএফ-এর তরফে।
হাওড়া জিআরপি’র ডিএসআরপি আসানসোল উজ্জ্বল কুমার দাস জানান,পূর্ব রেলের একটি অন্যতম গুরত্বপূর্ণ স্টেশন হলো বর্ধমান।প্রতিদিন লাখ লাখ যাত্রী এই স্টেশন ব্যবহার করেন।রাত পোহালেই দেশ মাতবে ৭৪ তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে।তার আগে যে কোনো ধরনের নাশকতা রুখতে জিআরপি ও আরপিএফ-এর যৌথ উদ্যোগে এই নাকা চেকিং করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে এদিন পূর্ববর্ধমান জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও জেলার বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ এলাকা,শপিংমল,পার্কিংজোন গুলিতেও তল্লাশি চালানো হয়।



